পোস্টগুলি

জুন, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ZUST=Zoom University of Science And Technology || আমাদের কোন শাখা নেই

ছবি
"যে শিক্ষকরা ক্লাসে ফোন নেয়াকে মারাত্মক অপরাধের চোখে দেখতো। আজ তাদের এই ফোনের মাধ্যমেই ক্লাস করাতে হচ্ছে। আসলে প্রকৃতি কাউকে ছাড় দেয়না।"- এই স্লোগানে মুখরিত ছাত্রশেণির এক বিরাট অংশ। করোনা সকল শ্রেণির মানুষকে নাকানিচুবানি খাওয়াইলেও ছাত্রসমাজকে বিশেষ সম্মানীত করেছে। অনেকে বলছে, "এ পরিস্থিতে অফিস খুলা, শপিং মল খুলা, যানবাহন খুলা; শুধু বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতেই প্রমাণিত হয় ছাত্রসমাজ কতোটা ভ্যালুলেস।" আসলে এটা দৃষ্টিভঙ্গির অপভ্রংশতা। ব্যাপারটা একটু অন্যভাবে চিন্তা করলেই ফলাফল অন্যরকম আসে। সবাই মারা গেলেও ভবিষ্যত সম্পদ ছাত্রদের মরতে দেয়া যাবে না। এজন্যই মূলত এই সম্পদকে আগলে রাখা হয়েছে। আগলে রাখা কখনই অবহেলার নিদর্শন না, বরং এটা ভালবাসার নিদর্শন। করোনার দেয়া আরেকটা সম্মানের পার্ট হলো ZUST=Zoom University of Science And Technology প্রতিষ্ঠা। যেখানে সবাইকে ভর্তি হবার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এডমিশন যুদ্ধের পরাজয় গ্লানী এখানে কাউকে বইতে হয়না। আমাদের জেনারেশনের নয় এমন শিক্ষক যারা মোবাইল-ল্যাপটপ মানেই খারাপ কিছুর গন্ধ পেত তারাও এখন থেকে এটাকে শ্রদ্ধা করতে শিখবে।  সবশেষে ব্যতিক্রম কি...

ZUST=Zoom University of Science And Technology আমাদের কোন শাখা নেই।

ছবি
"যে শিক্ষকরা ক্লাসে ফোন নেয়াকে মারাত্মক অপরাধের চোখে দেখতো। আজ তাদের এই ফোনের মাধ্যমেই ক্লাস করাতে হচ্ছে। আসলে প্রকৃতি কাউকে ছাড় দেয়না।"- এই স্লোগানে মুখরিত ছাত্রশেণির এক বিরাট অংশ। করোনা সকল শ্রেণির মানুষকে নাকানিচুবানি খাওয়াইলেও ছাত্রসমাজকে বিশেষ সম্মানীত করেছে। অনেকে বলছে, "এ পরিস্থিতে অফিস খুলা, শপিং মল খুলা, যানবাহন খুলা; শুধু বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতেই প্রমাণিত হয় ছাত্রসমাজ কতোটা ভ্যালুলেস।" আসলে এটা দৃষ্টিভঙ্গির অপভ্রংশতা। ব্যাপারটা একটু অন্যভাবে চিন্তা করলেই ফলাফল অন্যরকম আসে। সবাই মারা গেলেও ভবিষ্যত সম্পদ ছাত্রদের মরতে দেয়া যাবে না। এজন্যই মূলত এই সম্পদকে আগলে রাখা হয়েছে। আগলে রাখা কখনই অবহেলার নিদর্শন না, বরং এটা ভালবাসার নিদর্শন। করোনার দেয়া আরেকটা সম্মানের পার্ট হলো ZUST=Zoom University of Science And Technology প্রতিষ্ঠা। যেখানে সবাইকে ভর্তি হবার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এডমিশন যুদ্ধের পরাজয় গ্লানী এখানে কাউকে বইতে হয়না। আমাদের জেনারেশনের নয় এমন শিক্ষক যারা মোবাইল-ল্যাপটপ মানেই খারাপ কিছুর গন্ধ পেত তারাও এখন থেকে এটাকে শ্রদ্ধা করতে শিখবে।  সবশেষে ব্যতিক্রম কি...

|| বেশি এন্টিবায়োটিক গ্রহণে অপেক্ষা করছে অশুভ পরিণতি ||

ছবি
|| প্রথমেই জেনে নিই এন্টিবায়োটিক কি || এন্টিবায়োটিক একধরনের প্রাকৃতিক কেমিক্যাল যা নির্দিষ্ট রোগসৃষ্টিকারী 'ব্যাকটেরিয়াকে' মেরে ফেলে দেহকে আরোগ্য দান করে। মজার ব্যাপার হলো এন্টিবায়োটিক নিজেই অন্য কোন ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক থেকে উৎপন্ন হয় যেটা কিনা অপর কোন রোগসৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলতে সক্ষম। প্রচলিত এক প্রবাদ আছে, 'সব ভাইয়েরই ভাই আছে'। || এরপর জানি এন্টিবায়োটিক কখন খাওয়া উচিত || মানবদেহের এক অদ্ভূত ক্ষমতা রয়েছে জীবাণুকে প্রতিহত করার। আমাদের দেহের মধ্যে সাজানো আছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নানা  সৈনিকদল। শত্রু এলে এরা যুদ্ধ করে। এটাকে ইংরেজিতে বলে 'ইমিউন সিস্টেম'। কিভাবে এবং কেনই যে প্রাণীদের মাঝে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উৎপত্তি হয়েছে তা এক বিরাট রহস্য।  দেহের ভিতর কোনভাবে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করলে তুমুল যুদ্ধ বেঁধে যায়। অধিকাংশ সময়ই ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া দেহের সৈনিকদের কাছে হেরে যায়। জেনে রাখা উচিত যুদ্ধ চলাকালীন সময় দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। যুদ্ধ থেমে গেলে জ্বরও ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এজন্য দেহে দুই-তিন দিন জ্বর থাকা ভাল। কিন্তু আক্রমনের সময় দেহের 'ইমিউন...

|| এসএসসির রেজাল্ট তো পেলাম। এখন কোথায় ভর্তি হবো? ||

ছবি
  জল্পনা-কল্পনার ভিতর দিয়েই প্রকাশিত হয়ে গেল এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট। বরাবরের মতো এবারও হাসি-কান্নার দোল খেলে গেলো সবার মাঝে। কারও রেজাল্ট একটু খারাপ হয়েছে বিধায় কষ্টে বুকটা ফেটে যাচ্ছে। ওদিকে 'পাশের বাসার আন্টিও' আগুনে ঘি ঢালতে বাকি রাখছে না। তাই এতোদিন তোমার রেজাল্টের দিকে মুখ চেয়ে থাকা বাবা-মাও তোমাকে হয়তো হালকা বকাঝকা করেছে। এজন্য কষ্টে বুকটা আরও ফেঁপে উঠছে। খুব কম মানুষই পেরেছে বাস্তবতাটিকে সহজভাবে মেনে নিতে।  ওদিকে জিপিএ-৫ পাওয়া ছেলেমেয়েদের আনন্দের শেষ নেই। একটার জন্য গোল্ডেন ছুটি গেছে বিধায় ঐ সাবজেক্টে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন  করতে সে মোটেই ভুলেনি। নিজের ভাগ, ছাড়বো কেনো! অতীত পর্ব শেষ হলো। এবার বলি আগামীদিনের কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া থেকে শুরু করে জীবনের নানা ক্ষেত্রে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের গুরুত্ব অস্বীকার করার মতো নয়। কিন্তু বড় অর্জনকে মহৎ অর্জনের কাতারে ফেললে 'বড় নয় মহৎ ভুল' হয়ে যায়। এসএসসি এবং এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া একই জিনিস নয়। কিন্তু হ্যাঁ, যথাযথভাবে কঠোর পরিশ্রম করতে পারলে এসএসসির মতো এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ পাওয়া সম্ভব। কেননা  তোমরাই তো তা পেয়ে থাকো। ...

এসএসসি রেজাল্ট চেঞ্জ করার নামে প্রতারণা

ছবি
এসএসসি রেজাল্ট চেঞ্জ করার নামে প্রতারণা গত ৩১ মে বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড এসএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৮২.৮৭ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু এরই মাঝে একদল প্রতারক চক্র মারাত্মকভাবে সক্রিয় ভয়ে উঠেছে ফলাফল খারাপ করা ছাত্রছাত্রীদের রেজাল্ট পরিবর্তন করার দাবিতে। যদিও এটি একটি ফাঁদ। অনেক ছাত্রছাত্রী আবেগ কিংবা সরলতার বশবর্তী হয়ে প্রতারক চক্রের সদস্যের সাথে ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। ফলে প্রতারক চক্র ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। সুপ্রিয় ছাত্রছাত্রীদের এই ধরনের ফাঁদ থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানানো যাচ্ছে। এরই মধ্যে পুলিশের সাইবার টিম প্রতারকদের বিরুদ্ধে তৎপর হয়ে উঠেছে।  ছাত্রছাত্রীদের এসব বৃথা চেষ্টা না করে এতটুকু সাজেস্ট দিতে দিতে পারি যে, তোমরা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করো। বোর্ড চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে বৈধ উপায়ে ফলাফল পরিবর্তনের মৃদু আশা রয়েছে। বোর্ড চ্যালেঞ্জের নিয়মাবলী নিচের লিংকে দেয়া থাকবে।  https://bit.ly/2Xn0aGF