ZUST=Zoom University of Science And Technology আমাদের কোন শাখা নেই।
"যে শিক্ষকরা ক্লাসে ফোন নেয়াকে মারাত্মক অপরাধের চোখে দেখতো। আজ তাদের এই ফোনের মাধ্যমেই ক্লাস করাতে হচ্ছে। আসলে প্রকৃতি কাউকে ছাড় দেয়না।"- এই স্লোগানে মুখরিত ছাত্রশেণির এক বিরাট অংশ।
করোনা সকল শ্রেণির মানুষকে নাকানিচুবানি খাওয়াইলেও ছাত্রসমাজকে বিশেষ সম্মানীত করেছে। অনেকে বলছে, "এ পরিস্থিতে অফিস খুলা, শপিং মল খুলা, যানবাহন খুলা; শুধু বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতেই প্রমাণিত হয় ছাত্রসমাজ কতোটা ভ্যালুলেস।"
আসলে এটা দৃষ্টিভঙ্গির অপভ্রংশতা। ব্যাপারটা একটু অন্যভাবে চিন্তা করলেই ফলাফল অন্যরকম আসে। সবাই মারা গেলেও ভবিষ্যত সম্পদ ছাত্রদের মরতে দেয়া যাবে না। এজন্যই মূলত এই সম্পদকে আগলে রাখা হয়েছে। আগলে রাখা কখনই অবহেলার নিদর্শন না, বরং এটা ভালবাসার নিদর্শন।
করোনার দেয়া আরেকটা সম্মানের পার্ট হলো ZUST=Zoom University of Science And Technology প্রতিষ্ঠা। যেখানে সবাইকে ভর্তি হবার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এডমিশন যুদ্ধের পরাজয় গ্লানী এখানে কাউকে বইতে হয়না।
আমাদের জেনারেশনের নয় এমন শিক্ষক যারা মোবাইল-ল্যাপটপ মানেই খারাপ কিছুর গন্ধ পেত তারাও এখন থেকে এটাকে শ্রদ্ধা করতে শিখবে।
সবশেষে ব্যতিক্রম কিছু কথা বলবো। শুধু ভয় দেখানো সচেতনতার অংশ নয়। আশা দেখানোও সচেতনতার মৌলিক পার্ট । মনে রাখতে হবে করোনা হওয়া মানেই মৃত্যু নয়। আগে যার হাতে মৃত্যুর চাবিকাঠি ছিল এখনও তার হাতেই আছে। সাবধানতা অনেক শিখানো হয়েছে, এখনও হচ্ছে। শুধু যে জিনিসটার অভাব সেটা হলো আশার আলো।
সাবধানতার পরও করোনা হলে না ঘাবড়িয়ে মনবল শক্ত রাখা উচিত। মনের সাথে শরীরের যে একটা সম্পর্ক আছে এটা নিশ্চয় আমাদের কারও অজানা নয়।
"এই কথা শুনা যায়?"
"তোমরা তোমাদের ক্যামেরাগুলো অফ করে রাখো।"
"নেক্সট ক্লাসে আবার দেখা হবে।"
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন